ইরাকে ভগবান রাম! ২০০০ বছরের পুরনো খোদাইচিত্রে মিললো চমকপ্রদ মিল
মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ভূমি ইরাক-এ পাওয়া এক রহস্যময় খোদাইচিত্র ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। দারবন্দ-ই-বেলুলা পাহাড়ের গায়ে খোদাই করা এই প্রাচীন ম্যুরালটি দেখে অনেকেই দাবি করছেন—এতে স্পষ্টভাবে দেখা যায় ভগবান শ্রীরাম ও তাঁর পরম ভক্ত হনুমানের প্রতিচ্ছবি!
ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, এই ম্যুরালটির বয়স হাজার হাজার বছর, যা প্রাচীন সভ্যতার বিস্ময়কর এক নিদর্শন। প্রশ্ন উঠছে—তাহলে কি ভারতীয় সংস্কৃতি একসময় মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল?
বিশ্ব ইতিহাসে কি ইচ্ছাকৃতভাবে চাপা দেওয়া হয়েছে হিন্দু সভ্যতার বিস্তার? এমনই এক বিস্ফোরক প্রশ্ন উঠে এসেছে ইরাক-এ পাওয়া এক প্রাচীন খোদাইচিত্র ঘিরে।
ইরাকের দারবন্দ-ই-বেলুলা পাহাড়ে খোদাই করা হাজার বছরের পুরনো এই ম্যুরাল—অনেকের দাবি, এটি কোনো সাধারণ চিত্র নয়। এতে স্পষ্টভাবে দেখা যায় ভগবান শ্রীরাম ও তাঁর অদম্য ভক্ত হনুমানের প্রতিচ্ছবি!
তাহলে কি প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতা শুধু ভারতেই সীমাবদ্ধ ছিল না?
তাহলে কি মধ্যপ্রাচ্যেও ছিল রামের প্রভাব?
আরও চমকপ্রদ তথ্য এসেছে সুমেরীয় সভ্যতা থেকে। সেখানকার রাজতালিকায় উল্লেখ থাকা লারসার রাজা রিম-সিন-কে অনেকেই “রামচন্দ্র”-এর সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন। কারণ “সিন” ছিলেন চন্দ্রদেবতা—যা “রামচন্দ্র” নামের সঙ্গে আশ্চর্যজনকভাবে মিলে যায়।
প্রখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার লিওনার্ড উলি যখন উর নগরীতে খনন কাজ চালান, তখন তিনি কিছু উপাসনালয়ের সন্ধান পান। দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর একটি ছিল ভগবান রামের উদ্দেশ্যে নির্মিত প্রাচীনতম উপাসনাকেন্দ্রগুলোর একটি!
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতা এবং সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতা-এর মধ্যে গভীর বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ছিল। তাই এই ধরনের মিল একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
২০১৯ সালে ভারত থেকে একটি প্রতিনিধিদল এই রহস্য উদঘাটনে সরেজমিনে গবেষণার উদ্যোগ নেয়। তাদের মতে, এটি হতে পারে প্রাচীন বিশ্বের হারিয়ে যাওয়া এক বিশাল সাংস্কৃতিক সংযোগের প্রমাণ।



.png)

%20.png)

No comments: